বন্ধ করুন
লবণাক্ত জমিতে বেশি ফলন দেবে নতুন ব্রি ধান-১১৯
ডিজাইন:
100%
দেশ ও জনগণের স্বার্থে
দেশের খবর
DesherKhabor
DESHERKHABOR.COM
বাংলাদেশ ৫ নভেম্বর ২০২৬ | ২০ কার্তিক ১৪৩৩ | ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ | রেজি নং ডিএ ১৮২০ | বর্ষ ২১ | সংখ্যা ২৫৩
বৃহস্পতিবার | ১ পৃষ্ঠা ● ৫ টাকা
বিনোদনআবারো বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন পরীমনি
facebook.com/DesherKhabor
x.com/DesherKhabor
খেলাব্যালন ডি'ওর জিতল হ্যারিকেন
প্রধানমন্ত্রীআমার আগে আমরা, আমাদের আগে দেশ
ইপেপার সংস্করণ
DesherKhabor
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ০৫ নভেম্বর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
DesherKhabor

ইপেপার সংস্করণ ০৫ নভেম্বর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

DesherKhabor


লবণাক্ত জমিতে বেশি ফলন দেবে নতুন ব্রি ধান-১১৯


মোঃ তরিকুল ইসলাম
মোঃ তরিকুল ইসলাম সম্পাদক ও প্রকাশক
প্রকাশ: ০৩ নভেম্বর ২০২৬ প্রিন্ট:
লবণাক্ত জমিতে বেশি ফলন দেবে নতুন ব্রি ধান-১১৯
লবণাক্ত জমিতে বেশি ফলন দেবে নতুন ব্রি ধান-১১৯
Featured Image

বাংলাদেশের উপকূলীয় লবণাক্ততাপ্রবণ অঞ্চল ও প্রতিকূল পরিবেশে চাষাবাদের উপযোগী নতুন ধান জাত ‘ব্রি ধান-১১৯’ উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)। সম্প্রতি জাতীয় বীজ বোর্ডের ১১৬তম সভায় রোপা আমন মৌসুমে চাষাবাদের জন্য এ জাতটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে যা মঙ্গলবার নিশ্চিত করেছেন ব্রি’র প্রকাশনা ও জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তা মো: আল আমিন। ব্রি’র উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ এখলাছুর রহমানের নেতৃত্বে একটি গবেষক দল এই নতুন জাতটি উদ্ভাবন করেছেন।

জাতটির উদ্ভাবন দেশের কৃষি গবেষণাক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য বলে উল্লেখ করেছেন ব্রি’র মহাপরিচালক মো: রফিকুল ইসলাম। তিনি জানান যে এটি উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষকদের ধান উৎপাদনে সহায়তা জোগানোর পাশাপাশি দেশের খাদ্যনিরাপত্তা সুদৃঢ় করতে বড় ধরনের ভূমিকা পালন করবে। প্রধান গবেষক মোহাম্মদ এখলাছুর রহমান জানিয়েছেন যে দীর্ঘ গবেষণার প্রতিটি স্তরে তাদের পুরো দল নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছে এবং কৃষকদের মাঠে এই জাতের সুফল পৌঁছে যাওয়াটাই তাদের কাজের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

উপযুক্ত পরিচর্যা পেলে এ ধানের গড় ফলন হেক্টরপ্রতি ৫.৭ টন পর্যন্ত হয়ে থাকে এবং পরিবেশ ও লবণাক্ততার তারতম্য ভেদে ফলন ৪.৮ থেকে ৭.৬ টন পর্যন্ত হতে পারে। প্রচলিত ‘ব্রি ধান-৭৩’-এর তুলনায় এ জাতের ফলন হেক্টরপ্রতি প্রায় এক টন বেশি। এ জাতের গাছগুলোর গড় উচ্চতা ১১৩ সেন্টিমিটার এবং কাণ্ড শক্ত হওয়ায় এগুলো সহজে হেলে পড়ে না। এছাড়া চারা অবস্থায় একটানা তিন সপ্তাহ পর্যন্ত ১২ ডেসিসিমেন্স/মিটার এবং সংবেদনশীল বিভিন্ন ধাপে ৮ থেকে ১০ ডেসিসিমেন্স/মিটার মাত্রার লবণাক্ততা সহ্য করার বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে।

রোপা আমন মৌসুমে ব্রি ধান১১৯ চাষের জন্য ১ থেকে ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে বীজ বপনের নির্দেশনা রয়েছে এবং এর জীবনকাল প্রায় ১১ দিন। ২৫-৩০ দিন বয়সী চারা প্রতি গোছায় দুই থেকে তিনটি করে সারি থেকে সারির দূরত্ব ২০ সেন্টিমিটার এবং গোছা থেকে গোছার দূরত্ব ১৫ সেন্টিমিটার রেখে রোপণ করতে হবে। মাঝারি উঁচু থেকে উঁচু জমি এ জাতের জন্য উপযুক্ত এবং হেক্টরপ্রতি প্রস্তাবিত সারের পরিমাণ হলো ইউরিয়া ২৩৪ কেজি, টিএসপি ৮৭ কেজি, এমওপি ১১৭ কেজি, জিপসাম ৭৮ কেজি এবং জিংক সালফেট ১২ কেজি।