বন্ধ করুন
সোনারগাঁয়ে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ২০০৩ ব্যাচকে ৭-৪ গোলে হারাল ২০০৪ ব্যাচ
ডিজাইন:
100%
দেশ ও জনগণের স্বার্থে
দেশের খবর
DesherKhabor
DESHERKHABOR.COM
বাংলাদেশ ৫ নভেম্বর ২০২৬ | ২০ কার্তিক ১৪৩৩ | ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ | রেজি নং ডিএ ১৮২০ | বর্ষ ২১ | সংখ্যা ২৫৩
বৃহস্পতিবার | ১ পৃষ্ঠা ● ৫ টাকা
বিনোদনআবারো বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন পরীমনি
facebook.com/DesherKhabor
x.com/DesherKhabor
খেলাব্যালন ডি'ওর জিতল হ্যারিকেন
প্রধানমন্ত্রীআমার আগে আমরা, আমাদের আগে দেশ
ইপেপার সংস্করণ
DesherKhabor
দৈনিক পত্রিকা


দৈনিক পত্রিকা ০৫ নভেম্বর ২০২৬ ইপেপার সংস্করণ
DesherKhabor

ইপেপার সংস্করণ ০৫ নভেম্বর ২০২৬ দৈনিক পত্রিকা

DesherKhabor


সোনারগাঁয়ে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ২০০৩ ব্যাচকে ৭-৪ গোলে হারাল ২০০৪ ব্যাচ


মোঃ তরিকুল ইসলাম
মোঃ তরিকুল ইসলাম সম্পাদক ও প্রকাশক
প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৬ প্রিন্ট:
সোনারগাঁয়ে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ২০০৩ ব্যাচকে ৭-৪ গোলে হারাল ২০০৪ ব্যাচ
সোনারগাঁয়ে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ২০০৩ ব্যাচকে ৭-৪ গোলে হারাল ২০০৪ ব্যাচ
Featured Image নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে সাবেক শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক জমজমাট প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ২০০৩ ব্যাচকে ৭-৪ গোলে হারিয়ে জয় পেয়েছে সোনারগাঁও এসএসসি-২০০৪ ব্যাচ।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সোনারগাঁও উপজেলা গেটের বিপরীতে অবস্থিত ফ্রেন্ডস স্পোর্টস টার্ফে সোনারগাঁও এসএসসি-২০০৩ ও ২০০৪ ব্যাচের মধ্যে এ প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। শুরু থেকেই দুই দলের খেলোয়াড়দের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ম্যাচটি উপভোগ্য হয়ে ওঠে।

ম্যাচে ২০০৪ ব্যাচের পক্ষে অধিনায়ক আলমগীর ২টি, সহ-অধিনায়ক শফিকুল ইসলাম রুবেল ২টি, শাহজালাল ২টি এবং আদর সোহাগ ১টি গোল করেন। অন্যদিকে, ২০০৩ ব্যাচের পক্ষে অধিনায়ক আল আমিন ২টি এবং মামুন ২টি গোল করেন।

খেলায় সোনারগাঁও এসএসসি-২০০৩ ব্যাচের হয়ে অংশগ্রহণ করেন অধিনায়ক আল আমিন, কামরুল ইসলাম, মামুন, ফাহিম, মাসুম, রাজিব, তুহিন, প্রদীপ, সুমনসহ অনেকে।

অন্যদিকে, ২০০৪ ব্যাচের হয়ে মাঠে নামেন অধিনায়ক আলমগীর, সহ-অধিনায়ক শফিকুল ইসলাম রুবেল, শাহজালাল, ফসিউল, আলাল, আদর সোহাগ, বেলাল সুমন, হান্নান এবি, নুরুজ্জামান, সম্রাট, ইউসুফ, আহসান হাবীব, মিসবাহ ও আমিনুল ইসলামসহ অনেকে।

দুই ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ প্রীতি ম্যাচে খেলাধুলার পাশাপাশি বন্ধুত্ব, ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক সম্প্রীতির এক সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। মাঠে জয়-পরাজয়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও খেলা শেষে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে দেখা যায় আন্তরিকতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক।

অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন দুই ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছেও খেলাধুলার ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেবে।