ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে আরাফাত রহমান কোকোর অবদান তুলে ধরতে এবং তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতে তাঁর নামে ১৮তম জাতীয় গ্রীষ্মকালীন অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন (বিএএফ)। তিন দিনব্যাপী ‘কোকো ১৮তম জাতীয় গ্রীষ্মকালীন অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা-২০২৬’ আগামী ২৩ অক্টোবর রাজধানীর জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু হবে।
প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। স্মরণীয় এই আয়োজন সর্বাত্মকভাবে সফল করতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক ইতোমধ্যেই জাতীয় স্টেডিয়াম পরিদর্শন করে সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজকদের সাথে আলোচনা করেছেন। ফেডারেশনের সভাপতি, অন্যান্য কর্মকর্তা এবং পৃষ্ঠপোষকদের অঙ্গীকারে এ খেলার ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আলী ইমাম তপন বলেন, ‘এই মুহূর্তে বাংলাদেশের অ্যাথলেটিকস মোটেই ভাল অবস্থানে নেই। এই পরিস্থিতি অচিরেই কাটিয়ে উঠতে সরকারের পক্ষ থেকে সকল সহযোগিতার আশ্বাস মিলেছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবারের এই গ্রীষ্মকালীণ অ্যাথলেটিকসকে ঘিড়ে দেশজুড়ে ভিন্নমাত্রার একটি সাড়া পড়েছে, যা ফেডারেশনকে বাড়তি অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে।’
বিএএফের যুগ্ম সম্পাদক মনজুর মোরশেদ জানান, ক্রীড়া প্রশাসনে কোকোর ভূমিকা এবং ক্রিকেটের উন্নয়নে তাঁর অবদানকে স্বীকৃতি দিতেই এই উদ্যোগ। তিনি বলেন, “আমরা চাই, বর্তমান প্রজন্ম কোকোর অবদান সম্পর্কে জানুক এবং ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে তাঁর অর্জনগুলো স্মরণ করুক। বাংলাদেশে অ্যাথলেটিকসকে এগিয়ে নিতে আমরা তাঁর কাজ থেকে অনুপ্রেরণা নিতে চাই।” আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বড় আসরগুলোর জন্য আরও শক্তিশালী দল গঠনের আশাবাদও ব্যক্ত করেন তিনি।
প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী অ্যাথলেটদের যথাক্রমে ৬ হাজার, ৪ হাজার ও ৩ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। এছাড়া নতুন জাতীয় রেকর্ড গড়া অ্যাথলেটকে অতিরিক্ত ২০ হাজার টাকা এবং আসরের সেরা অ্যাথলেটকে একটি এক্সপ্লোর ই-বাইক মোটরসাইকেল দেওয়া হবে। ধারাবাহিক পৃষ্ঠপোষকতা দেশের অ্যাথলেটিকসের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করছে ফেডারেশন।







