সিইপিএ-পরবর্তী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া। সোমবার সিউলে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী জং-সুং পার্ক এই সিদ্ধান্ত নেন। মঙ্গলবার সকালে ইউএনবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রস্তাবিত সরকারি-বেসরকারি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ও ব্যবসায়িক চেম্বারের প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। এই গ্রুপটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সংস্কার, বিনিয়োগের সুযোগ, পিপিপি এবং ব্যবসা সহজীকরণের বিভিন্ন উদ্যোগ চিহ্নিত করবে। সিইপিএ আলোচনা সম্পন্ন হওয়ায় দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে বিস্তৃত ও গতিশীল পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।
বৈঠকে মূলধন প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার ডিজিটালাইজেশন, ইলেকট্রনিক্স শিল্পের কাঁচামালের শুল্ক শূন্যে নামিয়ে আনা এবং কাস্টমস কার্যক্রম সহজ করার উদ্যোগের কথা জানানো হয়। কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী জুং-সুং পার্ক বাংলাদেশের সাথে দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। কোরীয় প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সহজ করতে একটি সমন্বিত তালিকা বাংলাদেশ সরকারকে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
সফরের অংশ the বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল হুন্দাই গ্লোভিস, হানওয়া ওশান এবং স্যামসাং ইলেকট্রনিক্সের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করে। লজিস্টিকস হাব, বন্দর উন্নয়ন, জাহাজ নির্মাণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল সংযোগ খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।







