কোরীয় উপদ্বীপে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে উত্তর কোরিয়া। মঙ্গলবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কেসিএনএর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার ক্ষেপণাস্ত্রটির পরীক্ষা চালানো হয়। এর আগের দিন রোববার গুচ্ছবোমার ওয়ারহেডের (ক্লাস্টার বোমা) পরীক্ষা চালিয়েছিল দেশটি। ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রে সংযুক্ত এই ওয়ারহেডটি ৫ থেকে ৬ হেক্টর আয়তনের লক্ষ্যবস্তু সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে সক্ষম।
ক্ষেপণাস্ত্রটির শেষ পর্যায়ের গতিপথ নিয়ন্ত্রণ ও কৌশলগত দিক পরিবর্তনের সক্ষমতা আগের চেয়ে উন্নত করা হয়েছে। এর ফলে লক্ষ্যবস্তুতে ওপর থেকে সরাসরি নিখুঁতভাবে আঘাত হানা সম্ভব হবে বলে দাবি করেছে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র প্রশাসন।
দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র প্রশাসনের মহাপরিচালক জানান, বহিরাগত হুমকি মোকাবিলা এবং দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় এই শক্তিশালী অস্ত্রব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবেই এই নিয়মিত পরীক্ষা চালানো হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী এই পরীক্ষার বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি। দেশটির জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের মুখপাত্র জ্যাং ডো-ইয়ং জানান, ক্ষেপণাস্ত্রটির কারিগরি সক্ষমতা বিশ্লেষণে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া নিবিড়ভাবে কাজ করছে।
সম্প্রতি সীমান্ত এলাকায় স্থলমাইন বিস্ফোরণে দক্ষিণ কোরিয়ার তিন সেনা আহত হওয়ার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। উল্লেখ্য, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষার ক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ নেই।







